
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি মাছের বাজার শহরের পাঁচ নং ঘাট এলাকা। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে বিশাল এলাকা জুড়ে বসে এই মাছের বাজার। বাজারটি প্রাশ ২০০ বছরের পুরনো বলে জানায় স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ শহরের অন্যতম ঐতিহ্য নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন, নারায়ণগঞ্জ লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনালের ঠিক পাশেই অবস্থিত এই মাছের আড়ৎ। প্রতিদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এ বাজারে মাছের বেচাকেনা চলে।
স্থানীয়রা জানায় প্রায় দুইশ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই অস্থায়ী মাছের বাজার এখানে বসছে। আগে নদীর পাড় ঘেঁষে বসত এই বাজার। এখন এখানে রাস্তা হয়েছে, ওয়াকওয়ে হয়েছে। এখানে বিকেল হলে অনেক মানুষ ঘুরতেও আসে। তবে এখনও এখানে আগের মতই জমজমাট মাছের বাজার রয়েছে।
সুনামগঞ্জ, খুলনা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, শরীয়তপুর, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এ বাজারে আসে। এখান থেকেই পরবর্তীতে আশেপাশের বাজারগুলোতে মাছ সরবরাহ করা হয়।
অন্যান্য বাজারের তুলনায় বেশ ভোর থেকে শুরু হয় এই মাছের বাজার। চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ক্রোতাদের ভীড়ও থাকে অনেক বেশি। আশেপাশের এলাকা ছাড়াও দূর দূরান্ত থেকে এখানে মাছ কিনতে আসেন অনেকেই।
ক্রেতারা জানান, অন্যান্য বাজারের তুলনায় এখানে মাছের দাম তুলনামূলক কম। আবার অনেক প্রজাতির মাছ এখানে ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া মুশকিল। তাই এখানে ক্রেতাদের ভীড়ও একটু বেশি।
মাছের পাইকারি ব্যাবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন কয়েক টন মাছ এ বাজারে আসে। নারায়ণগঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকার মাছের চাহিদার সিংহভাগ এ বাজার থেকেই পূরণ হয়। আশেপাশের বাজারগুলোতেও এখান থেকেই মাছ কিনে নিয়ে বিক্রি করেন ব্যাবসায়িরা।