
ফাইল ছবি
সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে গতকাল রাত ৮ ঘটিকার সময় ইউসুফ আলীর আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে কর্মরত অবস্থায় তার কর্মচারীর মোঃ তোফাজ্জল ও ফয়সালের উপরে কিশোর গ্যাং এর সদস্যদের হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে আহত মোফাজ্জলের বড় ভাই মোঃ শহিদুল্লাহ আজ সোনারগাঁ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ্য করে এবং ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
দায়ের করা অভিযোগে শহিদুল্লাহ উল্লেখ্য করেন, বারদী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ফুলদী বাগের পাড়া গ্রামের কিশোর গ্যাং এর সদস্য মজিবরের ছেলে ১ সুজন, সুরভির ছেলে ২ সৌরভ, জালালের ছেলে ৩ তামিম ৪ তাইজুলের ছেলে সাব্বির সহ আরো ৩/৪ জন আমার ভাই তোফাজ্জল ও ভাতিজা ফয়সালকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রাত ৮ ঘটিকার সময় ইউসুফ আলীর আইসক্রিম ফ্যাক্টরিররভিতরে ঢুকে এলো পাথারি কিল ঘষে মেরে ও লোহার এস এস পাইপ দিয়ে পিটিয়ে,পিঠ, কোমড়ে , ও চোখে চোখে রক্তাক্ত জখম করে এর তাদের সাথে থাকা দুইটি মোবাইল সেট, ও নগত ১৭,০০০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তিনি আরো বলেন তারা আওয়ামী লীগের পদধারী এলাকার নেতাদের ছাত্র ছায়ায়, কয়েক বছর যাবৎ এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, এবং দুর্ধর্ষ মুসা গ্রুপের সদস্য বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
তাদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় আরো একাধিক অভিযোগ হলেও অতিতে তেমন কোনো বিচার হয়নি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মজিবরের ছেলে তামিমের সাথে ফোন তার বক্তব্যের জন্য কল দিলে, তামিম মারপিটের ঘটনা সত্যি বলে স্বীকার করে বলে, দুইদিন আগে আমার চাচাতো ভাইকে তোফাজ্জল মারছে, তাই আমরা রাতে তাকে জিজ্ঞেস করতে যাই, তখন সে আরো বলে আজকের ফ্যাক্টরির মালিক ইউসুফ আলী আমার চাচা তাকে দোকানের বাইরে আসতে বলি আর তখন সে বাহিরে না এসে, দোকানের ভিতরে চলে যায়। তাই আমরা দোকানের ভিতরে যাই তাকে জিজ্ঞেস করি, এখানে মারপিট হইছে তবে আমরা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে আনা হয় নাই।
সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মফিজুর রহমান বলেন, আইসক্রিম ফ্যাক্টরির কর্মচারীর উপর কিশোরগ্যাং এর হামলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।