শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

|

চৈত্র ২০ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

গ্রেপ্তার হতে হবে বলে আন্দোলনে নামতে বলেননি শাহ্ আলম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:০৮, ৩ এপ্রিল ২০২৫

গ্রেপ্তার হতে হবে বলে আন্দোলনে নামতে বলেননি শাহ্ আলম

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপি নেতারা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুললেও নিশ্চুপ ছিলেন ২০০৯ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা বিএনপি নেতা শাহ্ আলম। আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলা ও নির্যাতন শুরু হলে জেলা বিএনপির পদ থেকে সরে দাঁড়ান শাহ্ আলম। তবে দলীয় সদস্য পদ ছিল তার, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যের পদও ছিল শাহ্ আলমের। পাঁচ আগষ্ট আওয়ামী লীগের পতনের আগ পর্যন্ত রাজনীতিতে দূরত্ব রেখে ব্যাবসায় বানিজ্য নিয়েই মনোযোগী ছিলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের পতনের পর এবার ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে নিজের নিষ্ক্রিয় থাকার কারণ হিসেবে বিএনপির এই নেতা জানান, আন্দোলনে গেলে গ্রেপ্তার হতে হবে, নির্যাতিত হতে হবে। তাই তিনি নিজেও যেমন মাঠে নামেননি এবং নেতাকর্মীদেরও মাঠে নামার নির্দেশ দেননি তিনি। 

বুধবার (২ এপ্রিল) ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে নিজ অনুসারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। 

শাহ্ আলম জানান, অনেকে বলেছে আন্দোলনের সময় দিকনির্দেশনা দেন। আমি বলেছি ওয়েট করো। কারণ আমি দেখছিলাম তখন কী হচ্ছিল। আমি যদি বলি মিছিল নিয়ে নামো, ভাংচুর করো। ও তো মামলা খাবে এ্যারেস্ট হবে। আমি উস্কানি দিলে তো ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হত। এতে ক্ষতি দলের, আমার ক্ষতি হত না। ক্ষতি তোমাদের, আমি তা হতে দেইনি। নেতারা অসন্তুষ্ট হয়েছে এর জন্য আমার ওপর। কিন্তু আমি তো এটা চাই না। 

তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিবে আমি জনগণকে পাশে নিয়েই থাকবো। সামাজিক লোকজন চাই আমি। যাদের কথায় দশটা ভোট আসে। মানুষ দেখে কার সাথে কে নেমেছে। সুনাম যাদের তাদের সাথে নিয়েই নির্বাচনটা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে। এগুলোর সবগুলোই জ্বালাও পোড়াও মামলা। আমার চেয়ে বেশি মামলাও অনেকের বিরুদ্ধে হয়েছে। আজ আল্লাহর রহমত ছিল বলেই এই ফ্যাসিস্টের বিদায় হয়েছে।