
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে এমপি প্রার্থী হিসেবে চাইছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা৷ ইতিমধ্যে নিজ নিজ উদ্যোগে নেতাকর্মীরা এ সংক্রান্ত ব্যানার, পোস্টারও প্রচার করছেন।
দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিকে একাই আগলে রেখেছেন টিপু। ২০২২ সালে দলের শীর্ষ কোন পদে না থেকেও অনেকটা একাই দলকে টেনে তুলেছিলেন টিপু। সেসময় রাজপথে সিনিয়র অনেক নেতার দেখা না পাওয়া গেলেও টিপু একাই দলকে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে সুসংগঠিত করেছিলেন
এর আগে বিএনপির দলীয় কর্মসূচিগুলো শহরের বালুরমাঠে, ফুটপাতেই সীমাবদ্ধ থাকত। সেখান থেকে মূল সড়কে দলকে টেনে তেলেন টিপু। আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শহরের প্রানকেন্দ্রে একের পর এক সভা সমাবেশের আয়োজন করতে থাকেন টিপু।
রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান টিপু। মহানগর বিএনপির নেতৃত্বে আসার পর থেকে দলকে গুছিয়ে তোলার কাজ শুরু করেন তিনি। টিপুর নেতৃত্বে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ গুলোতে বিএনপি একের পর এক তাক লাগানো শোডাউন করতে থাকে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দিলে রাজপথে টিপু ছাড়া বিএনপির অন্য কোন নেতাকে দেখা যায়নি। ২৮ অক্টোবরে পর হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিগুলোতে দিনভর শহরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঝটিকা মিছিল নিয়ে প্রশাসনকে অস্থির করে তোলেন টিপু। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৮ নভেম্বর হরতালের সমর্থনে মিছুল বের করার সময় রাজপথ থেকে গ্রেপ্তার হন টিপু।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, টিপুর মত নেতা যারা রাজপথে দীর্ঘ সতেরো বছর আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিল। যারা সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে আগামীতে তাদেরই মূল্যায়ন করা উচিত। তা না হলে ভবিষ্যতে দলের জন্য এটা ভাল ফলাফল বয়ে আনবে না। সামনে যদি আবার দুঃসময় আসে তখন আর কেউ দলের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতে চাইবে না৷ দল তখন কর্মী খুঁজে পাবে না।
এদিকে বিগত দিনে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন আগামীতে দলে পদায়নের ক্ষেত্রে ও নির্বাচনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। দলের সিনিয়র ও তরুণ নেতাদের সমন্বয়ে দলের কমিটি গুলো হবে এবং একইভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হবে।